মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

আইসিটি শাখা

 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের আওতায় ২০১১ সালের ১৪ নভেম্বর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ৬৪টি জেলায় ই-সার্ভিসের শুভ উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বরিশাল-এর ফ্রন্ট ডেস্ক শাখায় ই-সেবা কেন্দ্রের কার্যক্রম পুরোপুরিভাবে শুরু করা হয়।  একজন কর্মকর্তা, একজন সহকারী প্রোগ্রামার, দুইজন অফিস সহকারী ও দুইজন এমএলএসএসকে ফ্রন্ট ডেস্কে নিযুক্ত করা হয়। জেলার আইসিটি ফোকাল পয়েন্ট হিসেবে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা) দায়িত্ব পালন করছেন।

জেলা ই-সেবা কেন্দ্রের কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই কার্যালয়ের ফ্রন্ট ডেস্কে রেকর্ডরুমের নকলের আবেদনসহ অন্যান্য নাগরিক ও দাপ্তরিক আবেদন গ্রহণ করা হয়। নকলের আবেদনের ক্ষেত্রে আবেদনটি গ্রহণ করে তাৎক্ষণিকভাবে আবেদনকারীকে জমা রিসিট প্রদান করা হয়। উক্ত জমা রিসিটে নির্ধারিত তারিখে ফ্রন্ট ডেস্ক থেকে নকলের কপি প্রদান করা হয়।

জেলা ই-সেবা কেন্দ্রের কার্যক্রমের আওতায় সকল ধরনের নাগরিক ও দাপ্তরিক আবেদন ফ্রন্ট ডেস্কের মাধ্যমে গ্রহণের পর আবেদনকারীকে আইডি নম্বরসহ প্রাপ্তিস্বীকারপত্র ও সেবা প্রাপ্তির সম্ভাব্য তারিখ দেওয়া হয়। এই আইডি নম্বর জানিয়ে আবেদনকারী ফ্রন্ট ডেস্কে এসে সরাসরি, এসএমএস করে, ফোনের মাধ্যমে, ডাকযোগে এবং ই-মেইলের মাধ্যমে সেবা প্রাপ্তির সর্বশেষ অবস্থা জানতে পারেন।

ই-সেবার আওতায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, বরিশাল-এ স্থাপিত ল্যানে ৩৭টি নোড রয়েছে। প্রত্যেকটি নোডে একটি করে কম্পিউটার আছে। নোড ব্যবহারকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীগণকে ইতোমধ্যে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। সকল ধরনের নাগরিক ও দাপ্তরিক আবেদনসমূহ ল্যানের মাধ্যমে ফ্রন্ট ডেস্কে গ্রহণ করা হচ্ছে এবং নিষ্পত্তিক্রমে ফ্রন্ট ডেস্ক থেকে সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

এ-সব কার্যক্রম ছাড়াও জেলা ই-সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে সেবা প্রত্যাশীদের এ কার্যালয় সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রদান করে সহায়তা করা হয় এবং নাগরিকদের বিভিন্ন অভিযোগ গ্রহণ করা হয়।  জেলা ই-সেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে জনগণের সহজে সেবা প্রাপ্তি নিশ্চিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে বরিশাল জেলার তিনটি উপজেলা সদরেও ই-সার্ভিস উদ্বোধন করা হয়েছে। ই-সেবা কেন্দ্র চালু হওয়ায় জনগণের মধ্যে ব্যাপক সাড়া লক্ষ্য করা গেছে। এর মাধ্যমে একদিকে যেমন জনগণের হয়রানি লাঘব হয়েছে অপর দিকে প্রশাসনের গতিশীলতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত হয়েছে।